নির্ধারিত ও নিরুত্তাপ আবহকে পিছনে ফেলে মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টস। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে পরাজিত করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে সাহাল আব্দুল সামাদের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত হয় মোহনবাগানের।
উভয় দলই সম্পূর্ণ 'অল ইন্ডিয়ান ইলেভেন' নিয়ে মাঠে নামে এবং প্রস্তুতি কম থাকায় প্রথমার্ধে খেলার মান কিছুটা ম্রিয়মান ছিল। আক্রমণভাগের পাশাপাশি দুই দলের রক্ষণভাগই জমাট থাকায় প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হয়।
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে। কিয়ান নাসিরির নিখুঁত কাটব্যাক এবং মনবীরের সুচারু ডামির সুযোগ নিয়ে সাহাল আব্দুল সামাদ আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়িয়ে মোহনবাগানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। গোল হজম করার পর ইস্টবেঙ্গল কোচ দল পরিবর্তনে মরিয়া হয়ে উঠলেও কাজের কাজ করতে পারেনি। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা রশিদ ও বিষ্ণুরা শেষ ১০-১৫ মিনিটে বেশ কিছু আক্রমণ শানালেও গোলের দেখা পায়নি লাল-হলুদ শিবির। শেষ পর্যন্ত এই ন্যূনতম গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান।
মোহনবাগানের জয় দিয়ে মরশুম শুরু, ডুরান্ড ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে হারাল সবুজ-মেরুন
নির্ধারিত ও নিরুত্তাপ আবহকে পিছনে ফেলে মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টস। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে পরাজিত করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে সাহাল আব্দুল সামাদের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত হয় মোহনবাগানের।
উভয় দলই সম্পূর্ণ 'অল ইন্ডিয়ান ইলেভেন' নিয়ে মাঠে নামে এবং প্রস্তুতি কম থাকায় প্রথমার্ধে খেলার মান কিছুটা ম্রিয়মান ছিল। আক্রমণভাগের পাশাপাশি দুই দলের রক্ষণভাগই জমাট থাকায় প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হয়।
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে। কিয়ান নাসিরির নিখুঁত কাটব্যাক এবং মনবীরের সুচারু ডামির সুযোগ নিয়ে সাহাল আব্দুল সামাদ আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়িয়ে মোহনবাগানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। গোল হজম করার পর ইস্টবেঙ্গল কোচ দল পরিবর্তনে মরিয়া হয়ে উঠলেও কাজের কাজ করতে পারেনি। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা রশিদ ও বিষ্ণুরা শেষ ১০-১৫ মিনিটে বেশ কিছু আক্রমণ শানালেও গোলের দেখা পায়নি লাল-হলুদ শিবির। শেষ পর্যন্ত এই ন্যূনতম গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান।
উভয় দলই সম্পূর্ণ 'অল ইন্ডিয়ান ইলেভেন' নিয়ে মাঠে নামে এবং প্রস্তুতি কম থাকায় প্রথমার্ধে খেলার মান কিছুটা ম্রিয়মান ছিল। আক্রমণভাগের পাশাপাশি দুই দলের রক্ষণভাগই জমাট থাকায় প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হয়।
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে। কিয়ান নাসিরির নিখুঁত কাটব্যাক এবং মনবীরের সুচারু ডামির সুযোগ নিয়ে সাহাল আব্দুল সামাদ আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়িয়ে মোহনবাগানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। গোল হজম করার পর ইস্টবেঙ্গল কোচ দল পরিবর্তনে মরিয়া হয়ে উঠলেও কাজের কাজ করতে পারেনি। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা রশিদ ও বিষ্ণুরা শেষ ১০-১৫ মিনিটে বেশ কিছু আক্রমণ শানালেও গোলের দেখা পায়নি লাল-হলুদ শিবির। শেষ পর্যন্ত এই ন্যূনতম গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান।