দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক চাপ এবং 'ককরোচ জনতা পার্টির' (CJP) সঙ্গে বৈঠকের আগে NEET-UG পরীক্ষার অনিয়মের সম্পূর্ণ দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কলকাতা। ধর্মতলায় বাম ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধে। পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে এবং এই ঘটনায় ৭টি মামলা রুজু করে ৭০ জন বহিরাগতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সোমবার দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিলেও, শনিবার আদালতের অনুমতি ছাড়াই 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। CIT রোড অবরুদ্ধ হওয়ায় আইন অমান্য ও জমায়েতে ইন্ধনের অভিযোগে পুলিশ তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে। এর প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লালবাজার অভিমুখে রওনা দিলেও পরে সিদ্ধান্ত বদলে কালীঘাটের নিজ বাসভবনে ফিরে যান।
ক্ষমতাচ্যুতির পর বিগত ১৫ বছরের শাসনামলে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, আর. কর কাণ্ডে ছাত্র আন্দোলনের প্রতি নিষ্ক্রিয়তা এবং শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলির জেরে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা বারবার সংকটের মুখে পড়েছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জাতীয় স্তরের ছাত্র আন্দোলনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং "আদি তৃণমূল"-এর নতুন সমীকরণ রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ছাত্র আন্দোলনের জের : উত্তাল দেশ থেকে রাজ্যের রাজধানী,কোন সমীকরণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়