হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকা আদিত্য সিংকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গেছে, আদিত্য স্থানীয়ভাবে হামিম মণ্ডলের অন্যতম প্রধান সহযোগী বা সোর্স হিসেবে কাজ করতেন।
তাঁর মূল দায়িত্ব ছিল রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই এবং তাঁর ছেলের ওপর কড়া নজর রাখা। প্রতিমন্ত্রীর গতিবিধির সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য এবং ছবি সংগ্রহ করে তিনি নিয়মিত তা হামিমকে পাঠিয়ে দিতেন।
কীভাবে গড়ে উঠেছিল এই যোগাযোগ? তদন্তে জানা গেছে, একটি অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই প্রথম হামিম মণ্ডলের সঙ্গে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয় আদিত্যর। পরবর্তীতে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং অপরাধমূলক কাজের জাল বিস্তার লাভ করে।
যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল বিশেষ কৌশল। আদিত্যকে কথা বলার জন্য একটি নতুন সিম কার্ড দিয়েছিলেন হামিম। পাশাপাশি, তাঁকে একটি নির্দিষ্ট ফোন এবং বিশেষ নম্বর ব্যবহারের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, সেই নির্দিষ্ট নম্বরটির মাধ্যমেই আদিত্যর কাছে সমস্ত গোপন নির্দেশিকা আসত, যা তিনি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পালন করতেন।
এই ঘটনার পর থেকে রাজ্য রাজনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং এই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত, তা জানতে তল্লাশি চালাচ্ছে।
হামিম কাণ্ড: মন্ত্রীর ওপর নজরদারির অভিযোগে হাওড়া থেকে গ্রেফতার সহযোগী আদিত্য সিং