বীরভূমে বিশাল অঙ্কের নগদ টাকা ও সোনার পাহাড় উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কেজি সোনা এবং ২০ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। যার মোট বাজারমূল্য প্রায় ৪১ কোটি টাকা।
জানা গিয়েছে, ২৫ বছর আগে টুলু মণ্ডল সিউড়িতে গৃহশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিনি পাথর ব্যবসা ও ক্রাশার মেশিনের ব্যবসায় নামেন। ২০১৪-১৫ সালের দিকে বীরভূমের প্রভাবশালী নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (কেষ্ট) সান্নিধ্যে আসেন তিনি। অভিযোগ, তাঁরই আশীর্বাদে ২০১৬-১৭ সাল থেকে পাথর খাদান থেকে বেআইনিভাবে ডি সি আর আদায়ের দায়িত্ব পান টুলু। এভাবেই সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন তিনি। সম্প্রতি মেয়ের বিয়েতে বলিউড ও টলিউড তারকাদের ডেকে ১০০ কোটিরও বেশি টাকা খরচ করে তিনি খবরের শিরোনামে এসেছিলেন।
যে মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে এই বিপুল সম্পত্তি উদ্ধার হয়েছে, তিনি টুলুর পিসতুতো বোনের স্বামী এবং পাথর টোল গেটের ইনচার্জ ছিলেন। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই সমস্ত সম্পত্তি আসলে টুলু মণ্ডলেরই বেনামি সম্পত্তি।
বর্তমানে এই ঘটনার নেপথ্যে অনুব্রত মণ্ডলের পাশাপাশি কলকাতা ও ক্যামাক স্ট্রিট পর্যন্ত কোনো বড় চক্র বা সুড়ঙ্গ যোগাযোগের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে গভীর তদন্ত শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।
বীরভূমের পাথর সম্রাট টুলু মণ্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার ৪১ কোটি টাকা