শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এনসিপিআই (NCPI) সাংসদদের প্রাতরাশ বৈঠকের পরেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। এদিনই নবান্নে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন 'ঋতব্রত-তৃণমূল' শিবিরের বিধায়করা। বিধানসভা অধিবেশন থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমসহ একাধিক সংখ্যালঘু বিধায়ক সোজা নবান্নে পৌঁছান।
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গোলাম রব্বানি, সাবিনা ইয়াসমিন, আখরুজ্জামান এবং জাভেদ খানের মতো বিশিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা। রাজনৈতিক মহলে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু
তালিকায় অনেকের নাম বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ আলোচনা হয়।
মসজিদে আজানের সময় মাইকের আওয়াজ কমানোর যে নির্দেশিকা জারি হয়েছিল, সেই বিষয়টিও এই বৈঠকে উত্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজ এবং সাংগঠনিক নানা দিক নিয়ে আলোচনা চলে।
অন্যদিকে, শুক্রবার সকালেই দিল্লির সংসদীয় রাজনীতিতে অন্য ছবি দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে তাঁর 'চায়ে পে চর্চা' ও প্রাতরাশ বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে মোদি তাঁদের নিজেদের এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দেন। রাজ্য ও জাতীয় স্তরের এই জোড়া রাজনৈতিক ঘটনায় এখন সরগরম বাংলার রাজনীতি।
নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক 'ঋতব্রত-তৃণমূল' বিধায়কদের, মূল আলোচ্য বিষয় কী?