দিল্লির একটি সংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক মন্তব্য এবং দেশে ফেরার ঘোষণা ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক বিতর্ক। এই ভার্চুয়াল সভায় বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে ভারত সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এই আয়োজনের সঙ্গে নয়াদিল্লির কোনও সম্পর্ক নেই এবং সেখানে ব্যক্ত করা মতামতের প্রতিও ভারতের কোনও সমর্থন নেই। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি একটি সম্পূর্ণ বেসরকারি সংস্থার আয়োজন ছিল। বাংলাদেশের যথাযথভাবে গঠিত সরকার সম্পর্কে সেখানে যা বলা হয়েছে, তার দায় নয়াদিল্লির নয়। গত ৫ অগস্ট দিল্লির সাউথ এশিয়ার ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে আয়োজিত ভার্চুয়াল ইভেন্টে শেখ হাসিনা দাবি করেন যে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই তিনি সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান।হাসিনাকে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখার সুযোগ করে দেওয়ায় গভীর অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ঢাকা। বাংলাদেশ সরকারের মতে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের সদ্য উন্নত হতে চলা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।
২০২৪ সালের অগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপস্থিতি দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে।
হাসিনার ভার্চুয়াল মন্তব্য ও ভারতের অবস্থান ঘিরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন