১৫ বছরের বেশি বয়সের বাণিজ্যিক গাড়ি বাতিলের কেন্দ্রের প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাস মালিক সংগঠন 'জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটস'। এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে জোরালো আর্জি জানানো হয়েছে।
বাস মালিকদের প্রধান প্রশ্ন, যদি ১৫ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি নিষিদ্ধই করা হয়, তবে ওই বয়সের গাড়ির জন্য কেন নতুন করে ফিটনেস সার্টিফিকেট ও পরীক্ষার ফি বাড়ানো হলো? তাঁদের যুক্তি, ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রমাণ করে যে গাড়িটি রাস্তায় চলার উপযুক্ত। এছাড়া নিয়মিত দূষণ পরীক্ষাও বাধ্যতামূলক থাকে।
পুরোনো গাড়ি পুরোপুরি বাতিলের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব বিকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। তাঁদের মতে, গাড়ির বডি বা টায়ার দূষণ ছড়ায় না, মূল সমস্যা হলো ডিজেল ইঞ্জিনের ধোঁয়া। তাই গাড়ি না ভেঙে, ডিজেল ইঞ্জিনের বদলে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ইঞ্জিন বসানোর সুযোগ দেওয়া উচিত। পাশাপাশি, বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের দাবিও তোলা হয়েছে।
২০০৯ সালের কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের পুরনো বাস বাতিলের কথা স্মরণ করে মালিকদের একাংশের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাজ্য পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তাঁদের বক্তব্য, নতুন সরকার সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছে। তাই আদালতের নির্দেশ ও কেন্দ্রের নীতিগুলি ভালোভাবে খতিয়ে দেখার পরেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।
১৫ বছরের বেশি পুরনো বাণিজ্যিক গাড়ি বাতিলের ভাবনা, পুনর্বিবেচনার আর্জি বাসমালিকদের