সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও ট্রোলের মুখে অভিনেত্রী অনন্যা গুহ। বাগদান থেকে শুরু করে বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রত্যেকটি মুহূর্ত সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছেন অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুন্ডু। বিয়ে জুড়ে ছিল সম্পূর্ণ বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। যদিও এর মাঝেই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে মিডিয়ার সাথে তাঁদের আচরণ নাকি খুব একটা ভালো ছিল না। তাদের জন্য নাকি আলাদা করে জল বা খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়নি! এমনকি শৌচালয়ে যাওয়ার সময়ও নাকি বাউন্সার যাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।
এদিকে পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের বাইরে চলে যেতে বলা হয়েছিল বলেও দাবি উঠেছে। যদিও এই বিষয়ে অনন্যা বা সুকান্তের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তাঁদেরকে নিয়ে শুরু হয়েছে কটাক্ষ। এক কথায়, অনন্যা-সুকান্তের বিয়ের থেকে বাউন্সার বিতর্কই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এই বিতর্কের রেশ যে ইন্ডাস্ট্রিতেও পৌঁছে গেছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিওতে। 'তারে ধরি ধরি মনে করি' ধারাবাহিকের সেটে শুটিংয়ের ফাঁকে অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত ও অস্মিতা চক্রবর্তীকে হাসিঠাট্টা করতে দেখা যায়। সেখানে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে অস্মিতা মজা করে বলেন, "একজন সেলিব্রেটি শুনলাম বাউন্সার নিয়ে বিয়ে করেছে, আমারও খুব ইচ্ছে এটা করার।"
মানসী সেনগুপ্ত বলেন, "তুই বাউন্সার রাখবি, আমিও নিয়ে যাব বাউন্সার। তারপর আমায় ঢুকতে না দিলে দু'জনের বাউন্সার মিলে চুলোচুলি করবে।" এরপর অস্মিতা জানতে চায়, "এরম বাউন্সারদের খোঁজ কোথায় পাওয়া যায়।" মানসী উত্তর দেয়, "সেই লেভেলের সেলিব্রেটি এখনও হতে পারেননি বলে তাঁর জানা নেই। বাউন্সার কিভাবে আনা যায়, তোর কাছে কোনো নম্বর আছে?" তারপর অস্মিতা বলেন, আমি ফেসবুকে লিখব যে, "ফেসবুক থেকেই ওনারা দেবেন, আমি বাউন্সার নিয়ে নিয়ে করব। তখন কিন্তু আমি তোমাকে ঢুকতে দেব না। যদি বাউন্সার না থাকে ঢুকতে দেব না।" মানসী বলে, তাহলে আমিও বাউন্সার নিয়ে যাব। আমার বাউন্সার আর তোর বাউন্সারের মারপিট হবে।"
মজার ছলেই বলা এই কথোপকথন অনেকের চোখে কটাক্ষ হিসেবেই ধরা পড়েছে। পরে একই প্রসঙ্গ ধারাবাহিকের নায়ক বিশ্বরূপের সামনে তুলতেই তিনি হাসতে হাসতেই বলেন, "প্রয়োজনে মানসীর বাউন্সার হতে তিনি রাজি।"
অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত ও অস্মিতা চক্রবর্তী এবার করলেন সুকান্ত ও অনন্যাকে ট্রোলি।