বাড়ি বিতর্কে আইনি জটিলতায় গায়ক শিলাজিৎ মজুমদার, পাল্টা মানহানির অভিযোগ শিল্পীর

Tollywood Focus By Tollywood Focus Kolkata Team | Published: Jun 15, 2026 | 3 mins read
বাড়ি বিতর্কে আইনি জটিলতায় গায়ক শিলাজিৎ মজুমদার, পাল্টা মানহানির অভিযোগ শিল্পীর
দক্ষিণ কলকাতার একটি বাড়ি ঘিরে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন গায়ক ও অভিনেতা শিলাজিৎ মজুমদার। বাদ্যযন্ত্রশিল্পী অর্ণব বাচস্পতির দাবি, যে বাড়িতে বর্তমানে শিলাজিৎ বসবাস করছেন, সেটি তাঁদের পারিবারিক সম্পত্তি এবং দীর্ঘদিন ধরেই সেটি ফেরত পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

অর্ণবের অভিযোগ, ২০১১ সালে তাঁর বাবার সঙ্গে ১১ মাসের একটি চুক্তির ভিত্তিতে গানের রিহার্সালের জন্য বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন শিলাজিৎ। তবে সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা আর নবীকরণ করা হয়নি। তাঁর দাবি, প্রথমে শুধুমাত্র মহড়ার কাজ চললেও পরে শিলাজিৎ ওই বাড়িতেই স্থায়ীভাবে থাকতে শুরু করেন।

অর্ণবের কথায়, যখন বাড়ি খালি করার অনুরোধ করা হয়, তখন শিলাজিৎ কিছুটা সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময়সীমা বারবার বাড়তে থাকে। তাঁর দাবি, ২০১৪ সালের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্কও হয়। একসময় নাকি শিলাজিৎ স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি বাড়ি ছাড়বেন না এবং যা হওয়ার আইনি পথেই হবে। এরপর থেকেই তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে দাবি অর্ণবের।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০১৬ সালেও সমাজমাধ্যমে বিস্তারিত পোস্ট করেছিলেন অর্ণব। সম্প্রতি রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ফের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে তিনি বলেন, ২০১২ সাল থেকে এই জটিলতা চলছে। এর মধ্যেই তাঁর দাদু ও বাবা দু'জনেরই মৃত্যু হয়েছে এবং তাঁরা কেউ ন্যায়বিচার পাননি বলে তাঁর আক্ষেপ। বর্তমানে তিনি এবং তাঁর মা আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, নিজের বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ভাড়া বাড়িতে থাকতে হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে, অর্ণবের সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়েছেন শিলাজিৎ মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, বিষয়টি বর্তমানে আদালতের বিচারাধীন। তাই আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চললেও প্রকাশ্যে এই মামলার বিষয়ে মন্তব্য করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

সমাজমাধ্যমে এই নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট প্রসঙ্গে শিলাজিৎ বলেন, তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানহানির শিকার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।