বাইরে থেকে দেখলে যেন একেবারে সাধারণ, শান্ত ও নিরীহ একটি গ্রাম। কিন্তু সেই নীরবতার আড়ালেই লুকিয়ে রয়েছে বহু বছরের অন্ধকার রহস্য, আতঙ্ক এবং এক অজানা বিভীষিকা। এমনই এক ভৌতিক ও রহস্যঘেরা জগতের গল্প নিয়ে আসছে নতুন বাংলা ডার্ক থ্রিলার ‘ঘুণ গাঁও’।
সৌম্য রায় চৌধুরীর কাহিনি ও পরিচালনায় তৈরি এই ছবি বাংলা সিনেমায় এক নতুন ধরনের ডার্ক ফিকশনাল ইউনিভার্সের সূচনা করতে চলেছে বলে দাবি নির্মাতাদের। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে এক রহস্যময় গ্রাম, যেখানে প্রতিটি মানুষের মুখে লুকিয়ে আছে অজানা সত্য, আর প্রতিটি নীরবতা যেন ইঙ্গিত দেয় আসন্ন বিপদের।
গল্পে কালো চিতাবাঘের খোঁজে এগোতে গিয়েই সামনে আসে এমন এক ভয়াবহ বাস্তবতা, যা কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যায়। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়, জঙ্গলের সেই হিংস্র প্রাণীর থেকেও অনেক বেশি ভয়ঙ্কর কিছু লুকিয়ে রয়েছে ‘ঘুণ গাঁও’-এর অন্ধকারে। রহস্য, সাসপেন্স এবং শিহরণে ভরা এই ছবি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শকদের টানটান উত্তেজনায় ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
ছবিতে অভিনয় করেছেন অনিন্দিতা বসু, রণজয় বিষ্ণু, শঙ্কর দেবনাথ, রোহিণী চট্টোপাধ্যায়, শুভ বিশ্বাস, সৌম্য মজুমদার-সহ একাধিক শিল্পী। প্রযোজনায় রয়েছে Cine Krazy Entertainments। প্রযোজক হীরা লাল রাওয়ানি, অমন চৌরাসিয়া এবং পার্থ সরকার।
ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন তুনাই দেবাশিস গাঙ্গুলি। গান গেয়েছেন সুনিধি চৌহান, তিমির বিশ্বাস, সায়ন্তনী ঘোষ এবং সৃষ্টি রাওয়ানি। গানের কথা লিখেছেন প্রমিত ঘোষ। চিত্রগ্রহণ করেছেন তুহিন, আর সাউন্ড ডিজাইন ও আবহসংগীতের দায়িত্বে রয়েছেন অনীশ বসু এবং প্রদ্যুৎ চ্যাটার্জী।
পরিচালক সৌম্য রায় চৌধুরীর কথায়, ‘ঘুণ গাঁও’ শুধু একটি রহস্যের গল্প নয়; এটি ভয়, বেঁচে থাকার লড়াই, মানবিক দৃঢ়তা এবং এক আদিম অজানা শক্তির মুখোমুখি হওয়ার কাহিনি। তিনি জানান, এটি কেবল ‘চ্যাপ্টার ১’। অর্থাৎ ‘ঘুণ গাঁও’-কে কেন্দ্র করে আরও একাধিক অধ্যায়ের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে এই রহস্যময় জগতকে আরও বিস্তৃত করবে।
অন্ধকার গ্রামের বুক চিরে আসছে রহস্যের ঝড়! নতুন ডার্ক থ্রিলার ‘ঘুণ গাঁও’